Tamil Desk

Vision

To derive knowledge and wisdom from the great Tamil scholars, literature, and culture and synthesize them with Sri Aurobindo’s vision of World Union for the realization of the ideal of human unity.

Activities

  • Publishing World Union Tamil bi-monthly eJournal.
  • Translating excerpts and quotations from various books and authors into Tamil, pertaining to the ideals of human unity.
  • Identifying relevant human resources for Tamil Desk catering to the Tamil audience across Tamilnadu and Puducherry.
  • Conducting webinars, workshops, and events.
  • Creating and managing Tamil social media.
  • Finding relevant texts from Sangam Tamil literature and poets like Thiruvalluvar, Bharathiyar, Periyar, and saints like Vallalar, Ramanar, aligning to the ideals of human unity.
  • Curating collective and individual spiritual and yogic practices as per the writings of Sri Aurobindo and the Mother.
  • Helping, guiding, and mentoring various World Union accredited centres across Tamilnadu, Puducherry, and the Tamil audience globally.
  • Networking and making alliances and collaborations with other similar cultural and spiritual bodies and organisations across Tamilnadu, Puducherry, and the Tamil audience globally.
  • Creating and managing Tamil World Union website.

Bangla Desk


বিশ্বসম্মিলন

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও শ্রী অরবিন্দের জন্মদিবস

শ্রী অরবিন্দ শুধুমাত্র একাধারে দার্শনিক হিসেবে মানুষের অস্তিত্বের আধ্যাত্মিকরূপ নিয়েই পর্যালোচনা করেননি, তিনি রাজনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মানবজাতির সমন্বয়সাধন সম্ভব করতে এবং এই বিশ্বেই ঊর্ধ্বচেতনাকে উপনীত করার জন্য কয়েকপ্রকার কার্যকর পদ্ধতির বর্ণনা দিয়েছেন। শ্রী অরবিন্দের লেখা প্রবন্ধে 'The Human Cycle', 'The Ideal of Human Unity', 'War and Self-determination', তিনি মানবজাতির ঐক্য সাধনের আদর্শকে তুলে ধরার জন্য এক সুদৃঢ় পরিকল্পনার বিবরণ দিয়েছেন।

শ্রী অরবিন্দ বিশ্বাস করতেন যে বর্তমানযুগে The Ideal of Human Unity অল্পবিস্তর নিজের মতো করেই আমাদের মনের মধ্যে নিজের রাস্তা তৈরি করে নিয়েছে। শ্রী অরবিন্দ শুধুমাত্র এক বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক একতাকে অনুসরণ করেননি, তিনি এক অন্যতম মতাদর্শ প্রদান করেছেন, তা হল "সমষ্টিগত জীবন, আনন্দদায়ক, পরিবর্তনশীল, ফলপ্রসূ ও সহজ হয়, তার নিজের মধ্যেই যখন তা কেন্দ্রীভূত হয় কোন ছোট স্থানে বা সাধারণ জীবদেহে।"

শ্রী অরবিন্দ কিন্তু ঐক্যের মধ্যেই বৈচিত্র্যের গুরুত্ব ও মানকে ভুলে যাননি। তিনি এটা ব্যক্ত করেছেন যে অভিন্নতা জীবনের বিধি নয়, জীবনের অস্তিত্ব রয়েছে বৈচিত্র্যতার মধ্যেই। নৈরাজ্যবাদের প্রচারনীতিকে ভেঙে ফেলার ও বিশ্ব সংস্কৃতিকে নতুনভাবে সৃষ্টি করার প্রবণতা রয়েছে ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে। শ্রী অরবিন্দ সমর্থন করেছেন স্বাধীনতা, সমভাব ও সহধর্মিতাকে আত্মার সম্পূর্ণতার তিন প্রকার স্বর্গীয় অবয়ব হিসেবে।

এই তিন অবয়বকে অর্জন করা সম্ভব নয় সমাজের বাহ্যিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অথবা যদি কোন মানুষ তার নিজস্ব ও সাম্প্রদায়িক গোঁড়ামি থেকে বেরিয়ে না আসে। একটি সমাজ যদি শুধুমাত্র স্বাধীনতার অন্বেষণকেই আদর্শ হিসেবে বেছে নেয় তাহলে সমভাব অর্জন করা সম্ভব নয় এবং আর একটি সমাজ যার প্রধান উদ্দেশ্য সাম্য তা কিন্তু কৃতার্থ হয় ব্যক্তি স্বাধীনতাকে পরিত্যাগ করে। স্বার্থপরতা বা নৈরাজ্যবাদ কখনোই সৌভাতৃত্বের কথা বলতে পারে না যতক্ষন না পর্যন্ত তাদের প্রধান লক্ষ্য হল সর্বব্যাপী বা বিশ্বজনীন।

সুতরাং শ্রী অরবিন্দ এই মন্তব্য রাখতে চেয়েছেন যে "সৌভাতৃত্বই হল একমাত্র চাবিকাঠি মানবতার আদর্শে"। তিনি বিশ্বাস করতেন যে স্বাধীনতা ও সাম্যের যোগসাধন সম্ভব হতে পারে শুধুমাত্র মানুষের সহধর্মিতার শক্তির দ্বারা। মূলত, ভাতৃত্বের অস্তিত্ব জুড়ে থাকে আত্মার সাথে আত্মার যোগ সাধনে। স্বাধীনতা, ঐক্য ও সমভাব হল আত্মার চিরন্তন বৈশিষ্ট্যাবলী।

যখন মানুষ স্বভাবতই সত্য সম্পর্কে সচেতন হবে, তখনই মানুষের আত্মা সজাগ হবে। শ্রী অরবিন্দ বিশ্বাস করতেন যে উন্মেষিত মানুষের আত্মা শিখবে আত্মিক অবস্থা থেকে বাঁচতে, তার গোঁড়ামি বা স্বার্থপরতা থেকে নয়। ওঁনার মতানুযায়ী এটায় ধর্মের গূঢ় সত্য। মনুষ্য জীবনের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে উনি বলেছেন যে, মানুষের লক্ষ্য সর্বদায় এক উচ্চতর চেতনার দিকে এগোবে, "প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যেই আত্ম-উন্নয়নের উদ্দীপনা রয়েছে এবং প্রত্যেকটি মা-বাবা ও শিক্ষকদের কর্তব্য হল সেই উদ্দীপনাকে সমর্থন করা ও শিশুটিকে জ্ঞানলাভ করতে সাহায্য করা, তার নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা, নৈতিকতা, সৌন্দার্যনুরাগ ও প্রয়োগিক ধারণাশক্তিকে স্বাধীনভাবে বিকশিত করে তোলা, শুধুমাত্র নিস্ক্রিয় জড় পদার্থের মতো চাপে পড়ে কাজ না করে।"